আজ ৯ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

সঠিক পরিচর্যা করলে শীত মৌসুমেও ড্রাগন ফল পাওয়া সম্ভব : এসপি খাইরুল আলম

সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ,
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ-

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪ টায় পুলিশ সুপার কুষ্টিয়ার বাসভবনের মোবাইল ড্রাগন বাগান হতে গ্রীষ্মকালীন ড্রাগন ফল হারভেস্ট করেন। ড্রাগন মূলত বিদেশি ফল। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে।

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ড্রাগন গাছে মূলত মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। শীতকালে ড্রাগন গাছে সাধারণত ফুল দেওয়া বন্ধ করে দেয়। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খায়রুল আলম এর নিজের একটি মোবাইল ড্রাগণ বাগান আছে। সেই বাগানের পরিচর্যা তিনি নিজেই করে থাকেন। শীতের মৌসুমে তিনি নিয়মিত ড্রাগন ফল পাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া খাইরুল আলম বলেন, ড্রাগন গাছের সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে গ্রীষ্মকালীন ড্রাগন ফল শীত মৌসুমেও পাওয়া সম্ভব। এই জন্য প্রয়োজন ড্রাগন গাছের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করা আর তা করা সম্ভব হয়েছে বলে আজ তিনি এই জানুয়ারি ২০২২ এর শীতের সময়েও ড্রাগন গাছে নিয়মিত ফল হারভেস্ট করছেন।

পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম আরো বলেন, ড্রাগন ফলের জন্য সূর্যের আলো ও তাপমাত্রা বেশি সময় ধরে থাকা খুবই প্রয়োজন। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলের উত্তর গোলার্ধে হওয়ায় সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থান করে ফলে গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হয় এবং সূর্যের আলো ও তাপমাত্রা বেশি সময় ধরে থাকে যা ড্রাগন গাছের জন্য খুবই প্রয়োজন। অপরপক্ষে শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধ অর্থাৎ মকরক্রান্তি রেখার উপর অবস্থান করায় বাংলাদেশে সূর্যের আলো ও তাপমাত্রা এই সময় খুবই কম থাকে যার ফলশ্রুতিতে শীতকালে ড্রাগন গাছে সাধারণত ফুল দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এই কারণে শীতকালে সঠিক পরিচর্যা এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার সাথে সাথে বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে আর্টিফিশিয়াল ভাবে ড্রাগন গাছের জন্য প্রযোজ্য আলো ও তাপমাত্রা তৈরি করে শীতকালেও ড্রাগন গাছে ফুল ও ফল নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে। এই থিওরি পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলমের মোবাইল ড্রাগন বাগানে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে সফলতা পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, তিনি শখের বসে একটি ছোট মোবাইল ড্রাগন বাগান করেছেন এবং যা তিনি যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে স্থানান্তর করতে পারেন। তিনি আরো বলেন আমাদের দেশের মাটি সোনার থেকেও খাঁটি ; খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনতে হলে আমাদের প্রতি ইঞ্চি মাটি ব্যবহার করতে হবে।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর