মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরছে,বেলতলা খেয়াঘাটে অটোরিক্সা চালক রুমান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃঃ

বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থীত চরবাড়ীয়া (পলাশপুর বেলতলা) খেয়াঘাট। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরমোনাই ইউনিয়নের গীলাতলি, বিশ্বাসের হাট, বুখাইনগরসহ,পার্শবর্তী এলাকা, চাঁদপুরা ও টুংগীবাড়ীয়া ইউনিয়নের যাত্রীদের অল্পসময়ের মধ্যে বরিশালে যাতায়াত করেন।

অল্পসময়ের বরিশাল শহরে প্রবেশ করেন অটোরিক্সায়, বেলতলা খেয়াঘাটে রয়েছে অটো ইজিবাইক সংগঠন শ্রমিক সমিতি নামক একটি সংগঠন। এখান থেকে অটোরিক্সা চালকরা সিরিয়ালের মাধ্যমে, জেলখানার মোর ও লঞ্চঘাট, দুই রুটে যাত্রী নিয়ে চলাচল করেন।

গত বৃহস্পতিবার(২৮অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকা সময় স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের হাতে অটোরিক্সা চালক রুমান ছুরিরঘাতে আহত হয়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পলাশপুর ৬ নাম্বার এলাকার রিপন তালুকদার(৩৫) পিতা পন্ডিত তালুকদার, বাবু ওরফে( গ্রেজ বাবু) পিতাঃ লাল, রাসেল বেপারী (২৩) পিতা হেলাল বেপারী,মিন্টু, পিতা হেলাল বেপারী,পারভেজ (২৩) পিতা মাজেদ।সহ অজ্ঞাত ২০থেকে ৩০ জন লোক আতর্কিত ভাবে রিপন ও বাবুর নেতৃত্বে হামলা চালায়।

আহত শ্রমিক রুমানকে স্থানীয় উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করান। রুমানের অবস্থা অবনতি দেখায় কর্তব্যরত ডাঃ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রেফার করেন।

আহত পরিবার গরীব হওয়ায়, সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়ে, শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।

ভুক্তভোগী পরিবার আরো বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জন্য রওনা হলে মাঝপথে এক অচেনা লোক আমাদের হুমকি দেন। আমারা তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে পারি নাই।

এবিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম বলেন, আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি আমার জানা আছে, এঘটনায় কেউ মামলা করলে,অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।