আজ ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভারতে মুসলমানদের ওপর হামলাকারী উগ্রবাদীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী ভিইএইচপির তা-বে মুসলিম নারীর শ্লীলতাহানি, মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ও দোকান পাঠ ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

আজ এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে উগ্রবাদী হিন্দুদের হামলার লক্ষ্যবস্তু মুসলমান নারী-পুরুষ এবং মুসলমানদের বাড়ী-ঘর, দোকান পাঠ। পানিসাগরের রাওবাজার এলাকার মুসলিমদের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। নারীর শ্লীলতাহানির করা হয়েছে। উগ্রবাদীদের আক্রমনে ১৬টি মসজিদে কমপক্ষে ২৭টি হামলা চালিয়ে ভিএইচপির লোকেরা। কয়েকটি মসজিদে জোর করে ভিএইচপির পতাকা পুঁতে দেয়া হয়েছে। তিনটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। উনাকটি জেলার পালবাজার মসজিদ, গোমতী জেলার ডোগরা মসজিদ এবং বিশালগড় জেলার নারোলা টিলা মসজিদে আগুন লাগানো হয়। তিনি বলেন, এত কিছুর পরও ভারতের পুলিশ বলছে তেমন কিছুই হয়নি। বিশ্বহিন্দু পরিষদের দুষ্কৃতিকারীরা মসজিদগুলোতে হামলার ছক আঁেট বলে মিডিয়ার মাধ্যমে জানা যায়।

পীর সাহেব চরমোনাই বাংলাদেশে পূজাম-পে হামলার পর বাংলাদেশকে দখল করার হুমকিও দিচ্ছে উগ্রবাদী হিন্দুরা। কিন্তু ত্রিপুরা, আসাম, গেরুয়া রাজ্যে মুসলমানদের বাড়ী-ঘর, দোকান, মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার পরও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি ভারত সরকার। হিন্দুত্ববাদী দেশ ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা কোথায়? বাংলাদেশে কোন ধরণের হামলার শিকার হলে বিশ্বে তোলপার হয়। মুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হলে বিশ্ব মিডিয়া,

বিশ্বনেতৃবৃন্দ কোন প্রতিবাদ পর্যন্ত করে না। তাহলে মুসলমান শূণ্য করাই কি তাদের টার্গেট? আজ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে মুসলমানরা শঙ্কিত, আতঙ্কিত ও নিরুপায়। এমতাবস্থায় ভারত সরকারকে মুসলমানদের উপর হামলাকারী উগ্রবাদী হিন্দু সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে কঠোর বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। সেইসাথে মুসলমানদের জানমাল এবং মসজিদগুলোকে রক্ষা করতে হবে। অন্যথায় বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের দাবানল জ্বলে উঠবে।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর