আজ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

যশোরের কেশবপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই

কেশবপুর প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুরে সামাজিক দূরত্ব না মেনে পল্লী বিদ্যুতের বিল জমা দিচ্ছেন গ্রাহকরা। বর্তমানে সর্বত্র স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে দিন দিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণের সচেতনতার অভাবে তা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে চরম আকারে। গতবুধবার (০৯জুন)দুইদিনে ৫জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।আজ র‌্যাপিড পরীক্ষাতে পাঁচ জন করোনা আক্রান্ত ।কেশবপুর হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে তিনজন।  করোনা আক্রান্ত  চার রোগীর বাড়ি লকডাউন ঘোষনা করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। সরকারের স্বাস্থ্য বিধি মানতে ভ্রাম্যমান আদালত অব্যাহত রেখেছেন কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ইরুফা সুলতানা।

এশর্তেও যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কেশবপুর জোনাল অফিসে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই গ্রাহক ও অফিসের কর্মকর্তাদের। গ্রাহকদের বেশির ভাগ মাস্ক ছাড়া। অফিসের কর্মকর্তাদেরও একই অবস্থা । এমন কি? এই অফিসের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ডিজিএম মাস্ক ছাড়া অফিস করতে দেখা যায়।শুধু বিদ্যুৎ বিল নয় কোনও জায়গায় মানুষ স্বাস্থ্য বিধি মানছে না।যদিও প্রসাশনের পক্ষ থেকে সর্বসাধারনের উদ্দেশ্যে মাইকিং করা হয়েছে।

অধিকাংশ গ্রাহক পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিল জমা দেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক, এজেন্ট ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাকিংএর মাধ্যমে বিল জমা নেয়া হয়। তবে অধিকাংশ গ্রাহক ব্যাংকের হয়রানীর শিকার থেকে রক্ষার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিল জমা দেন।বিল জমা দিতে আসা গ্রাহক আলা উদ্দিন জানান তার বিল দেওয়া কিন্তু তারপরও বিলে যোগ করা হয়েছে। গ্রাহক এনামুল জানান, জমা দেওয়া বিল যোগ করা হয়েছে তার বিলে।তাই সংশোধন করতে আসা।পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ০১৭৬৯-৪০১২৮৯ নং ফোন করে জানা যায় যে, নির্দিষ্ট শেষ দিনের পর বিল জমা দিলে, তা পরবর্তী মাসে যোগ হয়। ফোনালাপে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কেশবপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম বলেন আমার অফিসে জায়গা কম।তাই একটু সমস্যা হচ্ছে। কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন আমি ডিজিএমকে বলেছি। এখন থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে অফিস পরিচালনা করবে।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর