আজ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

অভয়নগর ব্লাড ডোনার ক্লাবের উদ্যোগে ১ম থেকে ৩০রমযান পর্যন্ত শেষ হলো ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী

মোঃ ইমরান হুসাইন,বার্তা সম্পাদক: করোনা সংক্রমণের ভয়ে সবাই যখন ঘরে রয়েছে, তখন অনেকেই থাকছেন চরম কষ্টে, অনাহারে। রোজার মাসটি যেহেতু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মুসলিমদের কাছে এই রোজায় যেন কাউকে না খেয়ে রোজা না রাখতে হয় সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে অভয়নগর ব্লাড ডোনার ক্লাব নামের একটি সংগঠন।

প্রতিবছর মানুষকে বিনামূল্যে ইফতার করিয়ে থাকে সংগঠনটি। তাদের এই উদ্যোগকে তারা একটি প্রজেক্ট হিসাবে অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করে।এই সংগঠনের এডমিন ও মডারেটর প্যানেলের পক্ষ থেকে বিশেষ  ভাবে ধন্যবান জানিয়েছেন অভয়নগর ব্লাড ডোনার ক্লাব  উপদেষ্টা  ডাঃ মাহমুদুর রহমান রিজভী স্যার, রবিউল হাসান রবি  এবং শহীদুর জামান সেলিম এর নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম গুলো সফল করেছেনে এছাড়াও সেচ্ছাসেবকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইমন সরকার মান্তু,ইমরান হোসেন, রিদয় শিকদার,রাব্বি ফারাজি,মোঃআকাশ বিশ্বাস,রুহুল আমিন,শান্ত,তানভীর,বিজয় আহমেদ ইমন সহ আরও অনেকে।

উপদেষ্টা ডাঃমাহমুদুর রহমান রিজভী বলেন,এই করোনা পরিস্থিতি তে অভয়নগর ব্লাড ডোনার ক্লাব সবসময়ই মানুষের সেবায় নিয়োজিত আছে, তাদের কার্যক্রমে অভয়নগর বাসী অনেক উপকৃত হচ্ছে। সেলিম মামা বলেন,সেচ্ছাসেবকরা দিনরাত্রি পরিশ্রম করছে,তাদের জন্য সকলে দোয়া করবেন। সেচ্ছাসেবক ইমরান বলেন,

আমরা মানুষের জন্য কিছু করতে চায়,সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।রিদয় শিকদার বলেন,আমরা যতটুকু সম্ভব সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি,সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন। এবিষয়ে আকাশ বিশ্বাস বলেন, প্রতি বছরই ইফতারে তারা মাস জুড়েই প্রায় ৫০০ জনের বেশি লোক খাইয়ে থাকেন এবং বছরের প্রতিটি রমজান ও বিভিন্ন সময়ে তারা এই ধরনের কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকেন। তারা দলগতভাবেই এই কাজটি করেন।ইফতার দেওয়া ছাড়াও, নিম্নবিত্ত কয়েক’শ পরিবারকে কয়েকদিনের বাজার এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে গুঁড়ো দুধ বিতরণ করে থাকি আমরা এবং নিজেরাই রান্না করে পরম যত্নে প্রতিটি প্যাকেটে সমানভাবে খাবার যাচ্ছে কিনা এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখি।তিনি বলেন, মানুষ হয়ে জন্মেছি মানুষের উপকারে আসার জন্য তাই আমাদের এই ইফতার বিতরণ উদ্যোগটি নিতে সাহস করেছি এবং আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলতে চাই, যে প্রতিদিন মানুষকে খাওয়ানোর পর যে একটা শান্তি আমি উপলব্ধি করি অন্য কিছুতে ওরকম শান্তি পাওয়া যায় না। তিনি আরো বলেন মানুষের কল্যাণে যদি আমরা এগিয়ে আসি তাহলে এই দুনিয়া থেকে মানুষের অভাব কমে যাবে। প্রত্যেকটা মানুষের সুখ-দুঃখে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত । আমরা করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব খাবার প্রস্তুত ও সবার সহযোগিতায়ই এই কার্যক্রম সফলভোবে চালিয়েছি।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর