আজ ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আসলেই কি নারী-পুরুষের বন্ধুত্ব হয়?

#শেক্সপিয়র_বলেছিলেন, “একজন ছেলে কখনো একজন মেয়ের বন্ধু হতে পারে না।। কারণ, এখানে আবেগ আছে, দৈহিক আকাঙ্খা আছে।।” একই কথা বলেছেন আইরিশ কবি Oscar Wilde. “নারী এবং পুরুষের মাঝে কেবলই বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকা অসম্ভব।। যা থাকতে পারে তা হলো আকাঙ্খা, দুর্বলতা, ঘৃণা কিংবা ভালোবাসা।”–হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, “ছেলে আর মেয়ে বন্ধু হতে পারে, কিন্ত তারা অবশ্যই প্রেমে পড়বে।। হয়তো খুবই অল্প সময়ের জন্য অথবা ভুল সময়ে।। কিংবা খুবই দেরিতে, আর না হয় সব সময়ের জন্য।। তবে, প্রেমে তারা পড়বেই।।”–সত্যি বলতে, ছেলে ও মেয়েতে শুধুমাত্র বন্ধুত্ব অসম্ভব ও প্রকৃতি বিরুদ্ধ।। কেননা, শুধুমাত্র বন্ধুত্ব হলে প্রকৃতি নিজের অস্তিত্ব হারাবে।। চুম্বক আর লোহা কখনো পাশাপাশি থাকতে পারে না।। আকৃষ্ট করবেই।। যদি কেউ তা এড়িয়ে যায় তবে সে ভণ্ডামি করছে নয়তো ধোঁকা দিচ্ছে।।–আগুনের পাশে মোম গলবেই।। ছেলে ও মেয়ে বন্ধুত্ব হতে পারে, কিন্তু একসময় প্রেমে বা অবৈধ সম্পর্কে রুপ নিবেই।। আর এটাই স্বাভাবিক।।–তবে, তাদের এই মন্তব্য গুলোকে জোরালো ভাবে সমর্থন দিচ্ছে Flirtationship যার অর্থ হচ্ছে ছিনালি করা।। কড়া ভাষায় বলতে গেলে, নোংরামি করা বা সেক্স্যুয়াল এট্রাকশন।। বিগত কয়েক বছর আগেও আমরা ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্বকে শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে দেখতাম, অনেকটা ভাই-বোনের মত।। কিন্তু, বর্তমান সময়ে তা অনেকটা এগিয়ে Friendship থেকে Flirtationship এ রূপ নিয়েছে আর এটা পাশ্চাত্য সংস্কৃতির দর্শন থেকে।।–সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, বর্তমান সময়ে গার্লফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড সম্পর্ক থেকে এটাই বেশী জনপ্রিয়।। এর কারন হচ্ছে, এতে কারো প্রতি কারো কোনরূপ দায়বদ্ধতা থাকে না, কোন কমিটমেন্ট থাকে না।। স্বাধীনভাবে উভয়ই দৈহিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে নিচ্ছে।। আর এটা সামাজিক এবং সংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টির কারন হতে পারে।।–যেহেতু বাংলাদেশ প্রথাগতভাবে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশ।। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আকর্ষন আর নিজেকে আধুনিক হিসেবে জাহির করার মনোভাব এর হাতিয়ার।। তাই অভিভাবকরা এখনি যদি সতর্ক না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এর মাশুল দিতে হবে।। আমরা ওই সংস্কৃতির দিকে অগ্রসর হচ্ছি যেখানে একটা ছেলে কিংবা মেয়ে নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না, তার বাবা-মা কে!–#তাই_লক্ষ্য_রাখুন,,,, আপনার বোন কিংবা মেয়ে; ভাই কিংবা ছেলে কাঁদের সাথে মিশছে! সঙ্গ এইখানে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ন।।

নামায ও ইফতারের সময়সূচীঃ

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৪:২১ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:২৮ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:২৮ অপরাহ্ণ
  • ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর