আজ ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভাস্কর্য ইস্যুতে তিন কারণে ইসলামীদল গুলো শর্তসাপেক্ষে কঠোর মনোভাব থেকে সময়ইক সরে দাড়ালেন?

বার্তা ডেস্ক:শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে মৌলবাদীরা। হুমকি ধামকি দিয়ে এবার ভাস্কর্য ইস্যু নিয়ে আর কোন আন্দোলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিনটি শীর্ষ মৌলবাদী সংগঠন। এই সংগঠন গুলো হলো, হেফাজত ইসলাম খেলাফত আন্দোলন এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। তিনটি সংগঠনই নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে এই আন্দোলন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই ভাবে, সরকারও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট্রের অনুমতি ছাড়া ভবিষ্যতে কোথাও কোন বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রাষ্ট্রের অনুমতি সাপেক্ষে যেখানে যেখানে ভাস্কর্য নির্মিত হচ্চে, সেগুলো সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই তিনটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেই সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী বৈঠক করেন। ঐ বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ব্যাপারে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান এবং মনোভাব জানিয়ে দেন।

সূত্র মতে, ঐ মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে সরকার কোন ছাড় দেবে না। কোন আপোষ করবে না। মৌলবাদী সংগঠনগুলো ভাস্কর্যের ব্যাপারে ধর্মীয় ব্যাখা দেয়ার চেষ্টা করলে, ঐ মন্ত্রী বলেন ‘কতজন আলেম চান, যারা ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলবে।’ ঐ বৈঠকে মন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের পর, মৌলবাদী সংগঠনগুলো দুই দিন সময় নেয়। এরপর তিনটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে তারা ভাস্কর্য বিরোধি আন্দোলনে কিছু বিষয় বিবেচনায় নেন, এগুলো হলো:

১. সরকারের কঠোর অবস্থান : সরকারের মনোভাব মৌলবাদী সংগঠন গুলোর পিছু হটার অন্যতম কারণ। তারা বুঝতে পারে, সরকার কোন অবস্থাতেই এই ইস্যুতে আপোষ করবে না। অর্থাৎ ভাস্কর্য বিরোধিতা করা মানে, প্রকারান্তে সরকারের সংগে যুদ্ধে জড়ানো। তাতে অস্তীত্বের সংকটে পরতে পারে সংগঠন গুলো এই ধারণা থেকে তারা আপাতত: এই ইস্যু নিয়ে চুপচাপ থাকতে চায়।

২. রাজনৈতিক চাপ : এই ইস্যুতে আওয়ামী লীগ দ্রুত রাজপথে নামে। এটাও মৌলবাদী সংগঠন গুলোর পিছু হটার অন্যতম কারণ। তারা বুঝতে পারে যে, আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক ভাবে তাদের চেয়ে শক্তিশালী। তাই, এনিয়ে আন্দোলন করলে তাদের পরিনতিও জামাতের মতো হবে।

৩. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মনোভাব : কুষ্টিয়ার ঘটনার পর মৌলবাদী গোষ্ঠীর বোধদয় ঘটে। তারা বুঝতে পারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলো এই ইস্যুতে মৌলবাদীদের দাড়াতে দেবে না।

মূলত: এই তিন কারণেই শেষ পর্যন্ত ইউটার্ন করলো মৌলবাদীরা। সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

নামায ও ইফতারের সময়সূচীঃ

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৪:২১ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:২৮ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:২৮ অপরাহ্ণ
  • ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর