আজ ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বেনাপোল চেকপোস্ট ও রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে থার্মাল স্ক্যানার মেশিন স্থাপন

মোঃ আইয়ুব হোসেন পক্ষী , বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রী প্রবেশের গেটে দুটি ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানার মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। আধুনিক এ থার্মাল স্ক্যানার যাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয়ের পাশাপাশি শরীরে ধাতব জাতীয় পদার্থ থাকলেও শনাক্ত করবে। সোমবার নতুন এই ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানারে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে রেলপথে সপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত বন্ধ থাকায় সেখানকার কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে।শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইউছুফ আলী জানান, দেশে দ্বিতীয় ধাপে করোনা সংক্রমণ রোধে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে দুটি ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানার স্থাপন করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন দুটিতে আগের থার্মাল স্ক্যানারের চাইতে বর্তমানে স্থাপিত স্ক্যানারটি অনেক আধুনিক এবং অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন। তিনি আরও জানান, এই থার্মাল স্ক্যানার মেশিনটি যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয়ের পাশাপাশি কারও শরীরে ধাতব জাতীয় পদার্থ থাকলে তাও শনাক্ত করতে পারবে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, আগে কেবল বাংলাদেশিদের ভারত প্রবেশের সময় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগতো। নতুন নির্দেশনায় ভারত ফেরত বাংলাদেশিদের নতুন করে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগছে। বিদেশি যাত্রীদের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য। যাত্রীরা যাতে নিয়ম অনুসরণ করে যাতায়াত করে সে বিষয়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের সব ধরনের সহযোগিতা করছে ইমিগ্রেশন। জানা যায়, করোনার কারণে গত ১৩ মার্চ থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। এছাড়া একই নিষেধাজ্ঞায় ভারতীয়দের বাংলাদেশে প্রবেশ ও বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়দের দেশে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যায়।  পরবর্তীতে করোনার প্রকোপ কিছুটা কমে আসলে তিন শর্তে বিজনেস ও মেডিক্যাল ভিসায় ভারত ভ্রমণ ও ভারতীয়দের বাংলাদেশে আসার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তবে শীতে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় সতর্কতা ব্যবস্থা নেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এ পথে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৬ থেকে ৮ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতো। বর্তমানে করোনা সংক্রমণের মধ্যে মেডিক্যাল ও বিজনেস ভিসায় প্রতিদিন ৮শ’ থেকে এক হাজার যাত্রী যাতায়াত করছে।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।