আজ ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

পশ্চিম সুন্দরবনের কাচি কাটা অভয়ারণ্য এলাকায় অবাধে চলছে মাছ কাঁকড়া শিকার। বন বিভাগ নীরব ভূমিকায়?

রাকিবুল হাসান শ্যামনগর: সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকায় বিশ্ব বিচিত্র ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন ধ্বংসের প্রধান ভূমিকায় কিছু অসাধু বন কর্মকর্তা এবং বন ধ্বংস করছে চক্রটি ।বন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাতের বিষয় এক দীর্ঘ তথ্য অনুসন্ধান করা হয়! অনুসন্ধানে দেখা যায় বন ধ্বংসের পেছনে বন কর্মকর্তারা কতটা দায়ী তার প্রমাণ পাওয়া যায় বিগত 2007 সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রধান বন রক্ষক ওসমান গনির বাসায় যে সময়ে দুদক অভিযান চালিয়ে 104 কোটি টাকা উদ্ধার করে এরপরে বেরিয়ে আসে অন্যান্য বন কর্মকর্তার দুর্নীতির তথ্য চিত্র। কিছুদিনের জন্য হলেও অসাধু এসব বোন কর্মকর্তারা খোলসের ভিতরে নিজেদেরকে আচ্ছাদিত করে। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি শীতল হতে থাকে এসব অসাধু কর্মকর্তা স্বরূপে। ফিরে আসতে শুরু করে শুরু হয় বন ধ্বংসের নতুন প্রক্রিয়া। সরকার অবশ্যই বিশ্ব বিচিত্র সুন্দরবনকে রক্ষা করার জন্য এবং সুন্দরবনকে পৃথিবীর মানুষের সামনে আরো সুন্দর রূপ উপস্থাপনা করার জন্য বিভিন্ন আইন প্রণয় আন্দোলন সভা সেমিনার ইত্যাদির মাধ্যমে করে থাকেন। যার ফল প্রতিশ্রুতিতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ 2012 প্রণয়ন করেন এবং সুন্দরবন এলাকায় কোস্টগার্ড নৌপুলিশ কে শক্তিশালী করে গড়ে তোলেন। বনে অবাধ যাতায়াতের উপরে বিধিনিষেধ আরোপ করেন এবং সুন্দরবনের বড় একটি অংশকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করেন। এতকিছুর পরও সরকারের ব্যর্থতা কোথায়?এখনো কেন হরিণ শিকার হয়, এসব বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলে ও বন বিভাগের কর্মচারী সূত্রে জানা যায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার যোকসাজে পশ্চিম সুন্দরবনের এলাকায় কাচিকাটা এলাকা থেকে হলদিবুনিয়া পর্যন্ত সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীসহ সকল প্রকার মাছ কাঁকড়া গাছপালা তৃণলতা সহ সকলের জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করেন। অভয়ারণ্য এলাকা ছাড়া অন্য এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া ধরার জন্য বন বিভাগের স্থানীয় অফিস গুলো থেকে পাস পারমিট দেওয়া হয়। অভিযোগ আছে এসব পাস পারমিট দেওয়া জেলেদের সাথে বন বিভাগের কিছু অসাধু বন কর্মকর্তা সরকার নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ কাঁকড়া শিকার সুযোগ দিয়ে থাকেন। সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কৈখালী স্টেশনের থেকে প্রায় 500 থেকে 600 গজ দূরে নেট জাল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য। কিন্তু এই বিষয় কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেন নিজের চেয়ারে বসে থাকেন তিনি মনে হয় কিছুই জানেন না এবং কৈখালী স্টেশন থেকে পাস পারমিট প্রাপ্ত জেলে বাওয়ালি দের কাছ থেকে মাথাপিছু 500 থেকে 1000 টাকা আদায় করা হয় আর বোটগুলো থাকে দুই থেকে তিন হাজার টাকা করে নেওয়া হয় সরকারের নির্ধারিত ফিস প্রদান করে পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনের প্রবেশ করলেও কাছিকাটা টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তা সমস্ত জেলেদের নৌকা ও ট্রলার থেকে 2000 থেকে 3000 টাকা আদায় করে থাকেন কাছিকাটা টহল ফাঁড়ির নিজস্ব ট্রলার করে সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ কাঁকড়া ধরার জন্য ট্রলার যোগে করে অভয়ারণ্যে এলাকায় পৌঁছে দিয়ে আসে মাছ ধরার জন্য সে থাকে নৌকা ও ট্রলার পি সি 1/2 হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে থাকেন এ বিষয় কাচিকাটা টহল ফাঁড়ি দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব বিষয় এড়িয়ে যান।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর